উনবিংশ শতকের গোড়ার দিকে বাংলায় এল নবজাগরণ।
সেই সময় বাংলাকে তথা সমগ্র ভারতবর্ষকে এক অন্ধকার সময় থেকে আলোর পথ দেখিয়েছিলেন বহু বাঙালি মনীষী।
রাজা রামমোহন রায় থেকে শুরু করে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর পর্যন্ত শতাব্দীব্যাপী যাঁদের কর্মকাণ্ডের মূল ভিত্তি ছিল ধর্ম এবং সমাজ সংস্কার,মানবতাবোধ -দর্শন, শিক্ষার উন্নয়ন, জ্ঞান- বিজ্ঞানের উন্মেষ ঘটানো, শিল্প- সাহিত্য – সংগীতের বিপুল চর্চা, এছাড়াও স্থাপত্য শিল্প,রাজনীতি , সর্বক্ষেত্রে মানুষের কাছে আধুনিক ধ্যান ধারণা সম্পন্ন এক নতুন দিগন্ত মেলে ধরলেন এঁরা।
শুধু ভারতবর্ষেই নয় এই নবজাগরণের আলোক ছটা পৌঁছেছিল বিশ্ব দরবারে।
বাংলার নবজাগরণের সময় থেকে শুরু বর্তমান সময় পর্যন্ত যে সমস্ত বাঙালি মনীষী এবং কর্মযোগীরা ভারতবর্ষকে আলোকিত করেছেন,সেই ধ্রুবতারাদের গল্প আমরা আমাদের সাধ্যমতো তুলে ধরার প্রয়াস করছি ।
যাঁরা আমাদের আলোর পথের সন্ধান দিয়েছেন, উন্মোচিত করেছেন নব দিগন্তের রবি কিরণ, তাঁদের কথা বাংলার ঘরে ঘরে তথা বিশ্বের দরবারে পৌঁছে যাক, এই আমাদের মূল উদ্দেশ্য।
এই আলোকবর্তিকাদের অবদান আমাদের জীবনে অপরিসীম।
উনবিংশ শতকের গোড়ার দিকে বাংলায় এল নবজাগরণ।
সেই সময় বাংলাকে তথা সমগ্র ভারতবর্ষকে এক অন্ধকার সময় থেকে আলোর পথ দেখিয়েছিলেন বহু বাঙালি মনীষী।
রাজা রামমোহন রায় থেকে শুরু করে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর পর্যন্ত শতাব্দীব্যাপী যাঁদের কর্মকাণ্ডের মূল ভিত্তি ছিল ধর্ম এবং সমাজ সংস্কার,মানবতাবোধ -দর্শন, শিক্ষার উন্নয়ন, জ্ঞান- বিজ্ঞানের উন্মেষ ঘটানো, শিল্প- সাহিত্য – সংগীতের বিপুল চর্চা, এছাড়াও স্থাপত্য শিল্প,রাজনীতি , সর্বক্ষেত্রে মানুষের কাছে আধুনিক ধ্যান ধারণা সম্পন্ন এক নতুন দিগন্ত মেলে ধরলেন এঁরা।
শুধু ভারতবর্ষেই নয় এই নবজাগরণের আলোক ছটা পৌঁছেছিল বিশ্ব দরবারে।
বাংলার নবজাগরণের সময় থেকে শুরু বর্তমান সময় পর্যন্ত যে সমস্ত বাঙালি মনীষী এবং কর্মযোগীরা ভারতবর্ষকে আলোকিত করেছেন,সেই ধ্রুবতারাদের গল্প আমরা আমাদের সাধ্যমতো তুলে ধরার প্রয়াস করছি ।
যাঁরা আমাদের আলোর পথের সন্ধান দিয়েছেন, উন্মোচিত করেছেন নব দিগন্তের রবি কিরণ, তাঁদের কথা বাংলার ঘরে ঘরে তথা বিশ্বের দরবারে পৌঁছে যাক, এই আমাদের মূল উদ্দেশ্য।
এই আলোকবর্তিকাদের অবদান আমাদের জীবনে অপরিসীম।
বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী ছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। বাংলা সাহিত্য কে বিশ্বমানের স্তরে পৌঁছে দিয়েছিলেন আপন সৃষ্টির মহিমায়! পশ্চিমী দুনিয়া অবাক বিস্ময়ে কবির রচনায় মুগ্ধ হয়ে উপলদ্ধি করেছিল মানবতার বিশ্বজনীন বার্তা এবং তারই ফলস্বরূপ ১৯১৩ কবির স্বীকৃতি পর্যবসিত হয় নোবেল পুরষ্কার।
এই গৌরব সমগ্র ভারতের,আমরা গর্বিত আমাদের মাতৃভাষা বাংলা আর আমাদের প্রিয় কবি এই ভাষার জনক!
“গীতাঞ্জলি Song offerings”এর জন্য কবি নোবেল পুরষ্কার লাভ করেন।
মানবদরদী কবির স্নিগ্ধ সাবলীল রচনা তখনকার সমস্ত কবি,সাহিত্যিকদের হৃদয় স্পর্শ করে শান্তির প্রলেপ ছড়িয়ে দিয়েছিলো।
আমাদের প্রতিবেদন “নীলকান্ত মণি -একটি যাত্রা পথের কাহিনী”Based on : Journey of Gitanjali to Song offerings.
আজকের অশান্ত পৃথিবীতে আসুরিক প্রবৃত্তির প্রাদুর্ভাব দেখা যাচ্ছে অহরহ, এমন সময় বিশ্ব কবির এই বার্তা আমাদের মনের কলুষতা বিনষ্ট করে চেতনা জাগ্রত করুক এই প্রয়াস! আপনারা সকলে আমাদের সঙ্গে থাকুন এই আগ্রহ কামনা করি।
আমাদের পরবর্তী নিবেদন কাজী নজরুল কে নিয়ে, আপনারা সঙ্গে থাকুন আমরা সাহস পাবো!
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলামের কবিতা এবং সাহিত্যিক কার্য নিয়ে আলোচনা ও প্রদর্শন
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, বিশ্বকবি হিসেবে পরিচিত, বাংলা সাহিত্যের অমূল্য সম্পদের স্রষ্টা ছিলেন। তার কবিতা, গান, নাটক, উপন্যাস, ছবি, প্রবন্ধ ইত্যাদি রচনাগুলি বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেছিলেন। রবীন্দ্রনাথের কাব্যে ভারতীয় সংস্কৃতি, মানবতা, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, ভারতীয় সমাজ এবং ধর্মের নতুন উজ্জ্বল দৃষ্টিকোণ প্রকাশ পেয়েছে।
অন্যদিকে, কাজী নজরুল ইসলাম বিপ্লবী বাংলা কবি হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তার কবিতা, গান, নাটক, ছবি ইত্যাদি নির্মাণ করেছিলেন যা বিভিন্ন সাহিত্যিক ও সামাজিক বিষয়ে আলোচনা করে। নজরুলের কবিতায় বাংলা জাতির অভিমান, স্বাধীনতা সংগ্রাম, ধর্মীয় উৎসাহ, ভারতীয় সংস্কৃতি এবং মানবিক সমস্যার দুঃসংকট স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।
আমাদের কাছে সবকিছু আসে, যদি আমরা তা গ্রহণের ক্ষমতা সৃষ্টি করি
-লেখক
সাহিত্যিক ইভেন্টে সাহিত্যিক আনন্দের সময়, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলামের অমর কবিতা ও সাহিত্যিক কার্যের সম্মেলনে মিলিয়ে আনুন নিয়মিত সাহিত্যিক ইভেন্ট সম্পর্কে আরো অনেক জানার জন্য। আমাদের YouTube চ্যানেলে যোগদান করুন এবং সাহিত্যিক আবহ উপভোগ করুন।
Copyright © 2024 Conscious Literature All Rights Reserved || Designed & Developed by Picasso Multimedia